সচ্ছলতা আনতে চীনা ভাষার দক্ষতা।
চীনা ভাষা
বা মান্দারিন মূলত একটি ক্যারেক্টার-বেসড ভাষা। অর্থাৎ এ ভাষার কোন বর্ণমালা নেই।প্রতিটা
শব্দের জন্য এক একটা প্রতীক ব্যবহার করা হয় যা প্রায় ৫০০০ বছর ধরে পরিবর্তনের
মাধ্যমে বর্তমান রুপ ধারণ করেছে। এই বর্তমান রুপটাকে বলা হয় সিম্পলিফাইড চাইনীজ।
বিদেশীদের চীনা ভাষা শেখানো হয় মূলত হাংবান ইনস্টিটিউট এর বেঁধে দেওয়া লেভেল বা
স্তর অনুযায়ী যার ব্যপ্তি ১-৬ পর্যন্ত। লেভেল-১ এর জন্য পড়তে হয় ১৫০টি ক্যারেক্টার, ২ এর জন্য ৩০০ টি, ৩ এর জন্য ৬০০ টি, ৪ এর জন্য ১২০০টি, ৫ এর জন্য ২৫০০ টি এবং ৬ এর
জন্য ৫০০০ এর মতো। প্রতিটি লেভেলের জন্য আছে আলাদা আলাদা পরীক্ষার ব্যবস্থা এবং
উত্তীর্ণদের চীনের হাংবান ইনস্টিটিউট থেকে দেয়া হয় সার্টিফিকেট। উল্লেখ্য যে,
এই পরীক্ষার নাম এইচএসকে ( হানউ্য শুইফিং খাওশি) বা চীনা ভাষার
দক্ষতা পরীক্ষা, পাশ মার্কস ৬০% এবং পরীক্ষা হয় পড়া,
লেখা ও শোনা এর উপর।
গত কয়েক বছরের
মধ্যে চীন সারা দুনিয়াতে ব্যবসায়িক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের
ব্যবসা বাণিজ্যেরও বড় একটা অংশ চীনের পণ্য এবং তা বড় হচ্ছে বাড়ছে তার পরিধি।এদেশে
প্রতিনিয়ত বাড়ছে চীন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের।
চীনের কোম্পানীগুলোর সাথে যোগাযোগয়ের জন্য দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের গুলার প্রয়োজন পড়ে চীনা ভাষা জানে এমন লোকের। একজন লোককে কমপক্ষে মাসিক ৫০,০০০ টাকা বেতনের চাকরি ব্যবস্থা রেখেছে বিভিন্ন কোম্পানী যারা এই ভাষায় বলতে, লিখতে এবং পড়তে পারে। কিন্তু বাড়ছে না চীনা ভাষা জানা দক্ষ লোকের সংখ্যা।
চীনের কোম্পানীগুলোর সাথে যোগাযোগয়ের জন্য দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের গুলার প্রয়োজন পড়ে চীনা ভাষা জানে এমন লোকের। একজন লোককে কমপক্ষে মাসিক ৫০,০০০ টাকা বেতনের চাকরি ব্যবস্থা রেখেছে বিভিন্ন কোম্পানী যারা এই ভাষায় বলতে, লিখতে এবং পড়তে পারে। কিন্তু বাড়ছে না চীনা ভাষা জানা দক্ষ লোকের সংখ্যা।
বাংলাদেশসহ
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে হাংবান ইনস্টিটিউট এর সিডিউল অনুযায়ী পরীক্ষা দেয়ার
ব্যবস্থা আছে।
চীনা ভাষার উপর কোর্স করানো হয় বাংলাদেশের কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তা-মরিয়াম বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অনেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে শেখাচ্ছেন।
দ্রুত ও সহজভাবে শেখার জন্য চীনের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে পড়ার কোন বিকল্প নেই। কারণ ভাষা শেখা এবং সঠিক অনুশিলন এর পর্যাপ্ত সুযোগ ও পরিবেশ আছে সেখানে ।একবছর মেয়াদী কোর্স এর জন্য খরচ বিশ্ববিদ্যালয়ের মান এবং শহরের উপর নির্ভর করে যা ২০০০০০ বা তার বেশি হতে পারে।
তবে চীনে স্কলারশীপে পড়াশোনা করার ব্যপক সুযোগ রয়েছে। এবং ফেব্রুয়ারি-মার্চ সময়টা হচ্ছে চীনের স্কলারশীপ মৌসুম। স্কলারশীপ পাওয়া যায় বিভিন্নভাবে যেমন: বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট এর মাধ্যমে এবং সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে।
গণচীনের স্কলারশীপ এর সুযোগ সুবিধা বেশ ভালো।
চীনে সরকারী স্কলারশীপের আবেদন করতে চাইলে। বিস্তারিত জানা যাবে বাংলাদেশস্থ চীনের এ্যম্বাসির ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ শিক্ষামন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, ও চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবসাইটে।
চীনা ভাষার উপর কোর্স করানো হয় বাংলাদেশের কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তা-মরিয়াম বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অনেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে শেখাচ্ছেন।
দ্রুত ও সহজভাবে শেখার জন্য চীনের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে পড়ার কোন বিকল্প নেই। কারণ ভাষা শেখা এবং সঠিক অনুশিলন এর পর্যাপ্ত সুযোগ ও পরিবেশ আছে সেখানে ।একবছর মেয়াদী কোর্স এর জন্য খরচ বিশ্ববিদ্যালয়ের মান এবং শহরের উপর নির্ভর করে যা ২০০০০০ বা তার বেশি হতে পারে।
তবে চীনে স্কলারশীপে পড়াশোনা করার ব্যপক সুযোগ রয়েছে। এবং ফেব্রুয়ারি-মার্চ সময়টা হচ্ছে চীনের স্কলারশীপ মৌসুম। স্কলারশীপ পাওয়া যায় বিভিন্নভাবে যেমন: বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট এর মাধ্যমে এবং সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে।
গণচীনের স্কলারশীপ এর সুযোগ সুবিধা বেশ ভালো।
চীনে সরকারী স্কলারশীপের আবেদন করতে চাইলে। বিস্তারিত জানা যাবে বাংলাদেশস্থ চীনের এ্যম্বাসির ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ শিক্ষামন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, ও চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবসাইটে।
www.talk2bd.blogspot.com

Comments
Post a Comment