যৌনজীবনে সুস্থ রুচি আনতে পর্নোগ্রাফি বন্ধ হোক




প্রকাশ্য সেক্সুয়াল কাজে অংশ নেওয়া এবং সেক্সুয়াল কাজের জন্য আহ্বান করা অসভ্যতা এবং লজ্জার নয় কি? আমরা টয়লেটে বসি গোপনে, সভ্য জগতে প্রকাশ্যে টয়লেটে বসা অসভ্যতা এবং লজ্জার।কিন্তু আমরা মানুষরা আমাদের উচ্চতর বুদ্ধিবৃত্তিকে কাজে লাগিয়ে সভ্য হতে পেরেছি কম।  তাহলে এখন বেশীরভাগ দেশে প্রকাশ্যে নারী পুরুষ অর্ধনগ্ন বা সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে  সেক্সুয়াল কাজে অংশ নেওয়া এবং  উত্তেজিত করা একজন আর একজনকে অপরাধ নয় কি?  কুকুরজাত-মানুষ, গরু কিংবা কুকুর সবার সামনে প্রাকৃতিক যে কোন কাজ তথা সেক্সুয়াল কাজে লিপ্ত হয় যা মানুষজাত দেখলে লজ্জা পায়। পশুদের অভিধানে লজ্জা বলে কোন বিষয় নেই। কিন্তু মানুষের অভিধানে লজ্জা বিষয়টি সভ্যতা ও শিক্ষার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সভ্যতা বিকাশের শত হাজার পর্যায়ে মানুষের প্রকাশ্য নগ্নতা ও সেক্সুয়াল কাজকে হাজারভাবে লজ্জা দেওয়া হয়েছে, ধীক্কার জানানো হয়েছে।  আমরা বেশীরভাগ নির্লজ্জ, অসভ্য হয়েই বাঁচতে পছন্দ করি। তাই পর্নোগ্রাফি, ব্লুফিল্ম, নষ্টামি দিয়ে সমাজ ভরপুর।
দু'জন পূর্ণবয়স্ক নারীপুরুষ একান্ত যৌনজীবনে কি করে তা একটি পিঁপড়েও জানে। কারও স্বামী'র সাথে যদি কারও প্রেম থাকে তবে তাদের পরস্পরের প্রতি প্রচন্ড একটা আকর্ষণও থাকবে যেটি যৌনজীবনে সুখী হওয়ার জন্য যথেষ্ট। যেখানে নারী পুরুষের পারস্পরিক সম্পর্ক প্রেমের, শ্রদ্ধার সেখানে সেক্সুয়াল সম্পর্ক পর্নো ছবির সহযোগিতা ছাড়াই আনন্দের হতে পারে। পর্নো ছবি ব্যক্তিগত কিংবা সামাজিক জীবন - কোথাও প্রয়োজন নেই।
শিশুকাল থেকে যে ধরণের সাংস্কৃতিক পরিবেশে বড় হলে স্বাভাবিক, সুস্থ যৌ্ন জীবনকে সম্মান করা যায়, গ্রহণ করা যায় সেরকম সুস্থ পরিবেশ সমাজে প্রথম সৃষ্টি করা হোক, তাহলে সুস্থ, স্বাভাবিক স্ত্রী ও গার্লফ্রেন্ডরা মুক্তি পাবে পর্নো আসক্ত বিকৃত রুচির স্বামী ও বয়ফ্রেন্ডদের হাত থেকে।
আইন দিয়ে অপরাধীদেরকে ভয় দেখানো যায়, শাস্তি দেওয়া যায়, কিন্তু আইন দিয়ে মানুষকে ভাল রাখা যায়না।। শুধুমাত্র সুশিক্ষাই মানুষের কুপ্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে সামাজিক করে তুলতে পারে। এই পথটাকে সারা বিশ্বে সত্যিকার অর্থে কখন অনুসরণ করা হয়েছে?


Comments

Popular posts from this blog

এই ১২ বছরের মেয়েটির IQ আলবাট আইনেস্তাইন ও স্তিফিন হকিং থেকে ও বেশি !!!

ছক্কা মেরে ইতিহাসের পাতায় তামিম ইকবাল

ফলের রস নয়, ডায়বেটিস কমাতে খেতে হবে ফল।।