প্লেয়ারদের কাজে লাগে কিছু সাইকোলজিক্যাল টিপস.
১ থেকে ১১ সবাই
কন্ট্রিবিউট করতে পারেন ক্রিকেট খেলার মধ্যে ।
ব্যাটিং:
১.নিজের উইকেটের মূল্য বুঝতে হবে এবং শুদু শুদু ছুড়ে
ফেলে আসা যাবে না।মনে রাখা উচিত,বোলার যতক্ষণ চেষ্টা করবে পিচে দাড়িয়ে
থাকার তত লাভ হবে। কেন না পিচে দাড়ায় থাকলে ব্যাটসম্যান ও আপনা আপনি স্যাটেল হয়ে
যাবে,তখন রান আসা
শুরু করবে।
২- অপরাজিত থাকা অবস্থায় কোন সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত হওয়ার
দরকার নেই , কোন প্রিন্ট মিডিয়া ইলেক্ট্রিক মিডিয়ার সংস্পর্শে আসা যাবে না। মাঝের সময়টুকু নিজের জন্য রাখা উচিত। শুদু মনে রাখতে হবে পরের দিন কিভাবে কনসেন্ট্রেশন ধরে রাখা যায়।
৩- সংবাদপত্রগুলা দেশের ত্রাতা হিসাবে তুলে ধরলে সেইগুলা
পাত্তা না দেয়া । নিজের খেলার পারদর্শীতা নিজে আর অন্যান্য ক্রিকেটারদের দ্বারা
মূল্যায়ন করাটা সব চেয়ে ভাল উপায়।
৪- একটি ভালো ইনিংস খেলে আত্মতুষ্টিতে না ভোগা। পরের ইনিংসে আরও ভাল করার জন্য তৈরি হওয়া।
৫- একটি খারাপ ইনিংস খেলে ব্যর্থ না ভাবা। বরং ইনিংসটির কি সমস্যা ছিল তা বিশ্লেষন করা । নন ষ্ট্রাইকিং প্রান্ত্রে
ব্যাটসম্যানের মতামত নেয়া । ভিডিও ফুটেজ দেখা ।
৬- টেস্টে স্পিনারদেরকে খেলার সময় সিংগলস বেশী নিতে হবে। এটা বিপক্ষের স্পিনারদের মনোবল ভেংগে দিবার জন্য যথেষ্ট। চার/ছয়ের
চেয়ে সিংগলস নিলে স্পিনাররা হতাশ হয় পরে
বেশী।
৭- যেই শট এর কারণে আগে এক একাধিক বার আউট হতে হয়েছে , গুরুত্তপূর্ণ সময় সেই শট খেলা হতে নিজেকে বিরত রাখা উচিত হবে ।
বোলিং:
১- পরিস্থিতি বুঝে বল করতে হবে।স্লগ ওভারে বল করতে। লাইন-লেন্থ যেন ঠিক থাকে সেইদিকে মনোযোগ
রাখতে হবে।যখন রানের চেয়ে উইকেটের মূল্য বেশি, তখন ফুলটস দেয়া যেতে
পারে। এতে করে ব্যাটসম্যান ফাঁদে পা দিবেই।

Comments
Post a Comment